কাউন্সিল পদে পাঞ্জাবী প্রতীকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে আলমগীর হুসাইন পুতুল

প্রকাশিত: ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২১

কাউন্সিল পদে পাঞ্জাবী প্রতীকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে আলমগীর হুসাইন পুতুল

 


নিজস্ব প্রতিবেদক
জকিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিল পদে পাঞ্জাবী প্রতীকে জয়ের পথে আলমগীর হুসাইন পুতুল। আসন্ন নির্বাচনে পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন তিনি। একটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হলেও তাঁর সেবামূলক ও সামাজিক কর্মকান্ড পুরো পৌরএলাকাব্যাপী বিস্তৃত। একজন সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী হিসেবে তাঁর খ্যাতি দীর্ঘদিনের। আলমগীর হুসাইন পুতুল শুধু ব্যবসার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেন না। সামাজিক উন্নয়নে রয়েছে তার পারিবারিক ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্যকে সামনে রেখে তিনি সমাজসেবা ও এলাকার সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যুবসমাজের আইকন আলমগীর হুসাইন পুতুল নিজ ওয়ার্ডসহ গোটা পৌরএলাকাকে মাদকমুক্ত ও ডিজিটাল ওয়ার্ড গড়ার লক্ষ্যেকে সামনে রেখেই তিনি এ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। সমাজের বঞ্চিত ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোঁটানোর প্রত্যয় নিয়েই তিনি সামনের দিকে এগিয়ে চলেছেন। তার মধ্যে দলীয় কোন সংকীর্ণতা নেই। দলমতের উর্ধ্বে থেকে তিনি সকল মানুষের প্রিয়জন হিসেবে সমাধৃৃত এক ব্যক্তি। আত্ম প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি এ নির্বাচনে প্রার্থী হননি। তার নিজ ওয়ার্ডকে একটি উন্নত ও আদর্শ ওয়ার্ড করে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়েই তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্ব হয়েছেন। জনগণের উন্নয়ন ও সমাজের উন্নতিকেই তাঁর নিজের উন্নয়ন মনে করে কাজ করেন।

উনার কাছে যেকোন সাহায্য চেয়ে খালি হাতে ফিরেছেন এমন কোনো ব্যক্তি ওই ওয়ার্ডে এমনকি পৌর এলাকায় খুঁজে পাওয়া যাবে না। এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুদুর প্রসারী পরিকল্পনাও রয়েছে তার। এ প্রতিদেকের কাছে এমনটা তুলে ধরেছেন তাঁর ওয়ার্ডের যুব ও সাধারণ ভোটাররা।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, আলমগীর হুসাইন পুতুল এলাকায় একজন সার্বজনীন ব্যক্তিত্ব। তাকে কাউন্সিলর প্রার্থী পেয়ে ভোটাররা আন্তরিকভাবে গর্বিত ও আনন্দিত। সকল বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে তাকে জয়ী করার প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন এলাকার সর্বশ্রেণি পেশার মানুষজন। তারা মনে করেন, আলমগীর হুসাইন পুতুল কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে এই ওয়ার্ডের গণমানুষের ভাগ্যের আশু পরিবর্তন ঘটবে। বাস্তবায়িত হবে মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন।

 

জকিগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আলমগীর হুসাইন পুতুল একজন সাদামনের মানুষ। সবসময় হাস্ব্যোজ্জল চেহারা নিয়ে মানুষের সাথে তার আচার আচরণ ও ব্যবহার। তাই আসন্ন নির্বাচনে তার প্রার্থীতা নিয়ে ওয়ার্ড এমনকি গোটা পৌরএলাকায় তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছে গেছেন।

 

করোনাকালে তিনি মানুষের ঘরে ঘরে গোপনে ও নিরবে ত্রাণ পৌছে দিয়েছেন। প্রচার বিমুখ পুতুল কখনও নিজেকে ক্যামেরার সামনে আনেননি। সব সময়ই নিজেকে রেখেছেন ক্যামেরার আড়ালে। দুযোর্গপূর্ণ সময়েও তার সাহায্যের ছবি কোনো ক্যামেরায় ক্যাপচার করতে পারে নি। কারণ, তিনি সবসময় ছবি ও ফটোসেশন থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন। তার মতে, ত্রাণগ্রহীতার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেলে একটি পরিবার সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হতে পারে। তাই তিনি সব সময়ই গোপনে সাহায্য পৌছে দিয়েছেন মানুষের দ্বারে দ্বারে।

 

তার এহেন নিরব সমাজ ও জনসেবায় তিনি এলাকায় নজির স্থাপন করেছেন। এছাড়াও করোনাকালে মানুষের প্রয়োজনে যে কেউ তার কাছ থেকে গোপনে ত্রাণ সংগ্রহের জন্য তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত নাম্বারটি উন্মোক্ত করেও এলাকায় আলোচনায় ওঠে আসেন। এই পোস্ট পেয়ে তার কাছে ত্রাণ চেয়ে কেউ বঞ্চিত হয়নি। তবে তিনি সাহায্যপ্রাপ্ত কারো ছবি উঠিয়ে লজ্জিত করতে রাজি হননি বিধায় জনপ্রিয়তায় তিনি একটি উচ্চ আসনে অধিষ্টিত হয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে তিনি ভদ্র ও সভ্যতার প্রতীক পাঞ্জাবী নিয়ে লড়ছেন বলেও গর্ববোধ করেন এলাকার সাধারণ মানুষ।

 

এলাকার সুশীল সমাজ মনে করেন- আলমগীর হুসাইন পুতুল একজন সৎ ও দক্ষ মানুষ। ৬নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হলে অন্য সব ওয়ার্ডের কান্সিলরগণও জনগণের পাশে দাঁড়াতে আরো উৎসাহী হয়ে উঠবেন বলে তারা দৃঢ়বিশ্বাসী।

 

আসন্ন নির্বাচনে বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে আলমগীর হুসাইন পুতুল এ প্রতিবেদককে জানান- জনগণের ভালোবাসাই আমার মূল সম্পদ ও পুঁজি। মানব সেবাকে আমি ইবাদত হিসেবে মনে করি। তাই সব মানুষের কল্যাণ খুঁজে ফিরি। এতেই জনগণ আমাকে অত্যান্ত ভালোবাসেন। জনগণের এ ভালোবাসার প্রতিদান আমি কোনদিন দিতে পারব না। তবে নির্বাচিত হলে জনগণেনর পাশে থেকেই আমার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেবো। এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নই আমার ব্যক্তি জীবনের উন্নতি বলে আমি বিশ্বাস করি।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর