জৈন্তাপুরে অস্ত্রসহ ২ ডাকাত গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ৪:৪৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৮

জৈন্তাপুরে অস্ত্রসহ ২ ডাকাত গ্রেপ্তার

জৈন্তাপুর সংবাদদাতা
জৈন্তাপুর উপজেলায় অস্ত্র ও গুলিসহ ডাকাত দলের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানা যায়, বিগত ১০ অক্টোবর উপজেলার ৫নং ফতেপুর ইউনিয়নের বাঘেরখাল গ্রামের বশির আহমদের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় বশির আহমদ বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত করে তাদের সন্ধান পায়।
এঘটনার অন্যতম আসামী হারুনুর রশিদ হারুন (৩২) কুমিল্লা মতলব থানা এলাকায় অবস্থান করছে এমন তথ্যর ভিত্তিতে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ মইনুল জাকিরের দিক নির্দেশনায় এসআই সুজন কুমার আর্চায্য কুমিল্লা মতলব থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আটককৃত ডাকাত হারুন সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ডৌবাড়ী ইউনিয়নের নগরডেঙ্গী গ্রামের মুহিব মিয়ার ছেলে।
পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সম্প্রতি বাঘেরখাল গ্রামের বশির আহমদ এবং চিকনাগুল ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে ডাকাতির কথা স্বীকার করে এবং ডাকাতির সাথে আরো জড়িতদের তথ্য প্রদান করে।
জৈন্তাপুর মডেল থানার এসআই আজিজুর রহমান, এএসআই রায়হান কবির, এএসআই তাজুল ইসলামসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হারুনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিত্বে ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের দণি বাঘেরখাল গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে সেলিম আহমদ (৩৩) কে আটক করে। আটকের পর তারা উভয়েই উপজলার বাঘেরখাল ও চিকনাগুল ইউনিয়নের বিভিন্ন ডাকাতির কথা স্বীকার করে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং গুলি তাদের নিকট রয়েছে বলে জানায়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ রোববার চিকনাগুল ইউনিয়নের কাহাইগড় পেট্রো বাংলার টিলার উপর বটগাছের নিচে মাটিতে পুতে রাখা ১টি এল.জি গানসহ ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
সোমবার বিকেল ৩টায় গ্রেপ্তার ডাকাত সেলিম ও হারুনকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় ২টি মামলা রয়েছে। বর্তমান অস্ত্র আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছ। মামলা নং-১০, তারিখ ২৯-১০-২০১৮।
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ মইনুল জাকির বলেন, ডাকাতির মামলাটি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাই এবং তাদেরকে আটক করতে সম হই। তিনি আরো বলেন, তার থানা এলাকায় যে কোন অপরাধ দমনে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে যাচ্ছেন এবং তার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর