নগরের সব বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরিত করা হবে : মেয়র আরিফ

প্রকাশিত: ৪:২১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৮

নগরের সব বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরিত করা হবে : মেয়র আরিফ

৫৬ কোটি টাকা ব্যায়ে লালমাটিয়া ড্রাম্পিং গ্রাউন্ডের আধুনিকায়ন

ডেস্ক প্রতিবেদন
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, দক্ষিণ সুরমার পারাইরচকস্থ লালমাটিয়ায় সিটি কর্পোরেশন ডাম্পিং গ্রাউন্ড আধুনিকায়ন করে পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নগরের উন্নয়নে তাঁর নেয়া সকল পদপেই যাতে পরিবেশ বান্ধব হয় সেদিকে নজর রেখে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি মঙ্গলবার নগরের একটি অভিযাত হোটেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত লালমাটিয়া ডাম্পিং গ্রাউন্ড উন্নয়নের উপর পাবলিক পরামর্শ এবং মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সিসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ বদরুল হকের সভাপতিত্বে ও সিসিকের কর কর্মকর্তা চন্দন দাশের পরিচালনায় সভায় মেয়র বলেন, এই নগরকে একটি বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে সুপরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। যেখানে অন্তর্ভুক্ত হবে পরিবেশবিদ থেকে শুরু করে নগরের প্রত্যেক সচেতন মানুষের পরামর্শ। আর এ জন্যেই লালমাটিয়ার ডাম্পিং গ্রাউন্ড কিভাবে আধুনিকায়ন করে গড়তে হবে, সেই লক্ষেই আজকের এই সভার আয়োজন বলে জানান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যংকের অর্থায়নে এখানে সম্পূর্ণ পরিবেশ বান্ধব ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরী করা হবে। প্রাথমিকভাবে ৫৬ কোটি টাকা ব্যায় ধরে শিঘ্রই এর কাজ শুরু হবে।
মঙ্গলবার এই প্রজেক্টের টেন্ডার হয়েছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এই ডাম্পিং গ্রাউন্ড আধুনিকায়ন করে তৈরী করার পর পার্শবর্র্তী এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি হবে না। জলাশয়েও কোন ধরণের পার্শপ্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এখানে বর্জ্য প্রিতিকিকরণের মাধ্যমে বর্জকে সম্পদে পরিণত করা হবে। এলাকায় কোন দুর্গন্ধ ছড়ানোর সুযোগ নেই উল্লেখ করে মেয়র বলেন, নগরে ইতিমধ্যে ৫টি স্থানে বর্জ্য ট্রান্সফার স্টেশন তৈরী করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো ৫টি বৃদ্ধি করা হবে। আধুনিক এই ড্রাম্পিং গ্রাউন্ডে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান্টে মাধ্যমে নগরের সব বর্জ্যকে সারে রূপান্তরিত করা হবে।
সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবরের কুরআন তেলাওয়াত ও সহকারী প্রকৌশলী অরবিন্দ দেবের গীতা পাঠের মাধ্যমে শুরু হওয়া সভায় স্লাইট প্রদর্শন করেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রজেক্ট কনসালটেন্ড ড. এনামূল হক।
বক্তব্য রাখেন- প্রজেক্ট প্রতিনিধিএ এফএম শরিফ উদ্দিন, বিশ্ব ব্যাংক প্রতিনিধি সাইফ উদ্দিন, শাবিপ্রবি’র প্রাক্তন রেজিস্টার জামিল আহমদ চৌধুরী, শাবিপ্রবির অধ্যাপক আজিজুল হক, সুজনের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী, সিলেট প্রেসকাবের সভাপতি ইকরামুল কবীর, সিলেট জেলা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ দিদার আলম নবেল, পরিবেশ আন্দোলন বাপা’র সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম, অনলাইন প্রেসকাবের সভাপতি মুহিত চৌধুরী, সাংবাদিক আহমদ আলী, বেলা’র সমন্ময়ক আ্যডভোকেট শাহ সাহেদা, সিটি কাউন্সিলর আজম খান, মখলিছুর রহমান কামরান, এটিএম জিল্লুর রহমান উজ্জল, শওকত আমিন তৌহিদ, ইউএনডিপি’র জিয়াউল কবীর, মহিলা কাউন্সিলার নাজনীন আক্তার কনা, আলমপুরের কৃষক প্রতিনিধি শামীম কবীর, মনোরঞ্জন দাস, মো. জাহিদ সারওয়ার, মুর্শেদ আহমদ মুকুল সহ সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন,সাংবাদিক প্রতিনিধি ও পরিবেশ আন্দোলনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, প্রকৌশলী মো. রুহুল আলম।

  •  

সর্বশেষ ২৪ খবর