শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা : প্রকাশ্য ফায়ারিং স্কোয়াডে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ

প্রকাশিত: ৫:৫৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৩, ২০২১

শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা : প্রকাশ্য ফায়ারিং স্কোয়াডে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ

বিজয়ের কণ্ঠ ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় তার সমাবেশস্থলে বোমা রাখার ঘটনায় দায়ের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ১৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্য ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

 

মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

 

বিচারক রায়ের আদেশে আরও উল্লেখ করেন, ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে কোনও অসুবিধা হলে প্রচলিত নিয়ম অনুসারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে প্রত্যেকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।

 

আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে কাশিমপুর ও কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আসামিদের আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। হয়। এরপর বেলা ১২টার দিকে আসামিদের আদালতের এজলাসে হাজির করা হয়। ১২টা ১৪ মিনিটে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের উপস্থিতি রায় পড়া শুরু করেন।

 

 

আসামিরা হলো, মো. মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ, মো. মাহমুদ আজহার ওরফে মামুনুর রশিদ, মো. রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমুল, মো. তারেক, মো. ওয়াদুদ শেখ ওরফে গাজী খান, মো. আনিসুল ইসলাম, সারোয়ার হোসেন মিয়া, মাওলানা আমিরুল ইসলাম ওরফে জেন্নাত মুন্সী, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মো. আজিজুল হক ওরফে শাহনেওয়াজ, মো. লোকমান, মো. ইউসুফ ওরফে মোছহাব মোড়ল, মোছহাব হাসান ওরফে রাশু ও শেখ মো. এনামুল।

 

গত ১১ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজ মঙ্গলবার দিন (২৩ মার্চ) ধার্য করেন আদালত।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০০ সালের ২১ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ কলেজ মাঠে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশ থেকে ৭৬ কেজি ওজনের একটি বোমা উদ্ধার করা হয়। বোমা উদ্ধার হওয়ার পরদিন ওই স্থানেই শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। এ ঘটনার পরে কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক নূর হোসেন বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন।

 

২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর তৎকালীন সিআইডির এএসপি আব্দুল কাহার মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের জন্য আদেশ দেন। এরপর বিচার চলাকালে বিভিন্ন সময়ে আদালত মোট ৫০ সাক্ষীর মধ্যে ৩৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

  •  

সর্বশেষ ২৪ খবর