‘স্রষ্টা, বিজ্ঞান ও ধর্ম’ গ্রন্থের পাঠ পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ৩:৪৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০১৮

‘স্রষ্টা, বিজ্ঞান ও ধর্ম’ গ্রন্থের পাঠ পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত

প্রকাশনা উদযাপন পরিষদ-এর উদ্যোগে সিলেট এম সি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান বিশিষ্ট উদ্ভিদবিজ্ঞানী প্রফেসর মো. আজিজুর রহমান লস্কর-এর ‘¯্রষ্টা, বিজ্ঞান ও ধর্ম’গ্রন্থের পাঠ পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দৈনিক সিলেট সংলাপ-এর সম্পাদক মুহাম্মদ ফয়জুর রহমানের সভাপতিত্বে শনিবার সন্ধ্যায় জেলরোডস্থ একটি অভিজাত হোটেলের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহ. হায়াতুল ইসলাম আকঞ্জি, মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ ফজলুল্লাহ, শাবিপ্রবির পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, কবি ও গবেষক মুসা আল হাফিজ। অনুভূতি ব্যক্ত করেন গ্রন্থের লেখক সিলেট এম সি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান, নলেজ হারবার স্কুল এন্ড কলেজ-এর অধ্যক্ষ বিশিষ্ট উদ্ভিদবিজ্ঞানী প্রফেসর মো. আজিজুর রহমান লস্কর।

নলেজ হারবার স্কুল এন্ড কলেজ-এর ভাইস প্রিন্সিপাল কবি নাজমুল আনসারী ও কবি শাহাদাত আলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ফাহিমা জিন্নুরাইন, এমসি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর মাওলানা মাহমুদুল হাসান, শাবিপ্রবির সাবেক রেজিস্ট্রার জামিল আহমদ চৌধুরী, সাহিত্য সমালোচক অধ্যাপক কবি বাছিত ইবনে হাবীব, সিলেট লেখিকা সংঘের সাবেক সভাপতি কবি সালমা বখত চৌধুরী।

আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পাণ্ডুলিপি প্রকাশনের স্বত্ত্বাধিকারী বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ক্বারী উসমান গণি। অনুষ্ঠানে সিলেটের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকাশনা উদযাপন পরিষদের সদস্য অধ্যাপক মোস্তাক হোসেইন, অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল খালিক, ওমর শরীফ নোমান, সাহেদ শাহরিয়ার, মোশাররফ হোসেন সুজাত, মাজহারুল ইসলাম জয়নাল প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মানবজাতির কল্যাণের স্বার্থেই পৃথিবীতে যুগে যুগে সৃষ্টিকর্তা বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পাঠিয়েছেন। প্রতিটি ধর্মগ্রন্থই মানুষকে সত্য, সুন্দর এবং কল্যাণের পথ নির্দেশ করে। কিন্তু যুগের আবর্তনে অনেক ধর্মগ্রন্থে বিকৃত হয়ে সঠিকভাবে সংরক্ষিত থাকে নি। এসব ধর্মগ্রন্থে ¯্রষ্টার অস্তিত্ব অস্বীকার করা হয়নি। তেমনি কোরআন মানুষের সার্বজনীন বিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠিত করে। বিজ্ঞানের মূল উৎস কোরআন। তাই বিজ্ঞানকে মানুষ যতবেশি উপলব্ধি, অনুধাবন করতে পারবে, ততবেশি সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে মানুষের বিশা¦াস প্রতিষ্ঠিত হবে।

অনুভূতি ব্যক্তকালে প্রফেসর মো. আজিজুর রহমান লস্কর বলেন, কোরআন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বিজ্ঞানময় গ্রন্থ। দর্শন, ইতিহাস, সাহিত্য, ভাষা, সংস্কৃতি তথা যাবতীয় বিষয়ের মূল উৎস কোরআন। সত্যিকারভাবে কোরআনকে বুঝার মাধ্যমে ¯্রষ্টা এবং বিজ্ঞান সম্পর্কে অবহিত হওয়া সম্ভব। বিজ্ঞানকে সঠিকভাবে বুঝার মাধ্যমে কোরআন এবং ¯্রষ্টার বিশ্বাসকে মানবমনে প্রতিষ্টিত করবে।

সভাপতির বক্তব্যে দৈনিক সিলেট সংলাপ-এর সম্পাদক মুহাম্মদ ফয়জুর রহমান বলেন, প্রতিটি ধর্মগ্রন্থটিই মানুষকে সত্য, সুন্দর এবং কল্যাণকর পথের নির্দেশ দেয়। তেমনি ইসলামও মানুষকে শান্তির কথা বলে। ‘¯্রষ্টা, বিজ্ঞান এবং ধর্ম’ বইটি পাঠ করলে মানুষের হৃদয়ের দরজা খুলে যাবে আমার বিশ্বাস। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ ২৪ খবর