ঢাকা ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:১৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮
স্বাস্থ্য ও জীবনধারা ডেস্ক
সারা বিশ্বেই সকালের নাশতা হিসেবে পরিচিত ওটস। বাংলাদেশেও অনেকে স্বাস্থ্যসম্মত নাশতা হিসেবে ওটস খান নিয়মিত।
ওটস রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ও পুষ্টি জোগাতেও দারুণ কাজ করে এটি। শুষ্ক ও খসখসে ত্বকের অধিকারীদের জন্য ওটস জাতীয় খাবার উপকারী। এতে বিদ্যমান প্রাকৃতিক শ্বেতসার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত ওটস খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।
কাজে উদ্দীপনা যোগানোর পাশাপাশি শরীরে শক্তি যোগাতে কার্যকর আঁশজাতীয় এই খাবার। সকালের নাস্তায় এক বাটি ওটস আপনাকে সারাদিন কর্মক্ষম থাকতে সাহায্য করবে।
ওটস রান্না করা সহজ, আর তা বিভিন্ন উপায়ে খাওয়াও যায়। ওজন কমাতে দিনে তিনবেলাই আপনি ওটস খেতে পারেন। এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা ক্ষুধা কম রাখার জন্য কার্যকর। এতে থাকা বিটা গ্লুকন ক্ষুধা উদ্রেককারী হরমোনের বিপরীতে কাজ করে। বিটা গ্লুকন রোগ প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
তবে বেশিদিনের জন্য শুধু ওটস খেয়ে থাকাটা স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। সপ্তাহখানেকের জন্য আপনি এই ডায়েট ফলো করে দেখতে পারেন। তবে এটাও মনে রাখতে হবে, ওটস কোনো অলৌকিক খাবার নয় যে তা খেলেই ওজন কমে যাবে। এর পাশাপাশি ব্যায়ামও করতে হবে।
৭ দিনের ওটমিল ডায়েট:
এই ডায়েটে ১ম দু’দিন তিনবেলা শুধু ওটস দিয়ে তৈরি খাবার খেতে হবে।
পরের দু’দিন দু’বেলা ওটস এবং এক বেলা প্রোটিন ও সবজি খেতে হবে।
সবশেষের তিনদিন একবেলা ওটস এবং বাকি দু’বেলা প্রোটিন ও সবজি খেতে হবে।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by syltech