ঢাকা ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:০৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯
ভারতের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা সায়্যিদ আশহাদ রশিদী বলেছেন, যার অন্তরে ঈমান বিদ্যমান থাকবে, সে মুক্তি লাভ করবে। কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সকলকে হিসাব দিতে হবে। যারা আমলনামা ডান হাতে পাবে তারা সফল কাম হবেন। আর যারা আমলনা বাম হাতে পাবে তারা জাহান্নামী হবে। পুলসিরাত পাড়ি দিতে হবে, যার চারিদিক ঘোর অন্ধকার। মুমিন ব্যক্তিগণ ঈমানের নূরের আলোতে পুলসিরাতে পুল পারি দিবেন। পুলসিরাতের পুল পার হতে সবাইকে ঈমানের চর্চা করতে হবে। আকাঈদের হেফাজত করা একান্ত প্রয়োজন। কাদিয়ানীরা ঈমান থেকে খারিস। তারা মুসলমান নয়।
তিনি ৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাতে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা ময়দানে ৩ দিনব্যাপী খাদিমুল কোরআন পরিষদ সিলেট আয়োজিত তাফসিরুল কুরআন মহাসম্মেলনের সমাপনী দিনে তাফসির পেশকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
শেষ দিনে বিভিন্ন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আল্লামা শায়খ জিয়া উদ্দিন ও মাওলানা শায়খ মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী সভাপতিত্বে এবং খাদিমুল কোরআন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসান ফয়সল ও মাওলানা আব্দুল মতিন নবীগঞ্জীর যৌথ পরিচালনায় তাফসির পেশ করেন আল্লামা হোসাইন আহমদ মাদানী রহ.’র খলিফা শায়খ আব্দুল মুমিন ইমামবাড়ী।
তিনি বলেন, মুমিনের প্রতিটি কাজই ইবাদত। আমরা আল্লাহ’র রাসুল সা. এর সুন্নতের ইত্তেবাহ থেকে সরে যাওয়ায় আমারা নানা ভাবে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হচ্ছি। আমরা আমাদের মূল থেকে সরে পড়েছি। আল্লাহকে যদি ভালোবাস, তবে রাসুল সা.কে ভালোবাসতে হবে।
অন্যান্যের মধ্যে তাফসির পেশ করেন- মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলীপুরী, মাওলানা শায়খ বিলাল বাওয়া-যুক্তরাজ্য, মাওলানা শায়খ ইমদাদুল্লাহ, মাওলানা মুফতী মুজিবুর রহমান, শাহপরান মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল হান্নান, নূরুল ইসলাম পেশকার সহ অন্যান্য উলামায়ে কেরাম তাফসির পেশ করেন।
দেশ ও জাতির কল্যাণ কামান করে আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে ৩ দিনব্যাপী তাফসিরুল কুরআন মাহফির সমাপ্ত হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
সম্পাদক : জে.এ কাজল খান
স্বত্ত্ব: দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠ (প্রিন্ট ভার্সন)
০১৭১৮৩২৩২৩৯
Design and developed by syltech